Report

 

গার্মেন্টসের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র

গার্মেন্টস খাতের সামপ্রতিক সময়ের উত্তরণে নেয়া পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেন্স ব্লুম বার্নিকাট। তিনি বলেন, গার্মেন্টস খাতে বাংলাদেশ অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছে। কারণ বাংলাদেশ দেখিয়েছে কিভাবে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়। শ্রম আইনের সম্পূর্ণ বাস্তবায়নসহ কর্ম-পরিবেশ (কমপ্লায়েন্স) উন্নয়নে আরো কিছু কাজ এখনো বাকি রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশে থাকবে। গতকাল রাজধানীর বিজিএমইএ ভবনে গার্মেন্টস খাতের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম রানা প্লাজা পরবর্তী গার্মেন্টস খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতাকে বর্তমানে গার্মেন্টস খাতের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন। এ সময় গার্মেন্টস খাতের কর্মপরিবেশ (কমপ্লায়েন্স) উন্নয়নে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কারখানায় ট্রেড ইউনিয়নের হার বেড়েছে। ২ শতাধিক ট্রেড ইউনিয়ন ইতিমধ্যে নিবন্ধিত হয়েছে। কারখানা তদারকির জন্য পরিদর্শক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সে সঙ্গে সংস্কার কাজও অব্যাহত রয়েছে। এসব কাজে আইএলওসহ (আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা) আন্তর্জাতিক সমপ্রদায় যুক্ত রয়েছে। তবে শ্রম আইনের বাস্তবায়নসহ আরো কিছু কাজ করতে হবে। ওই সব পদক্ষেপ অর্জনে আমাদের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

এর আগে বিজিএমইএ নেতাদের সাথে বৈঠকেও বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন তিনি। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম। ইত্তেফাককে তিনি বলেন, রাষ্ট্রদূত সে দেশের বায়ারদের সাথে তার আলাপচারিতার প্রসঙ্গ টেনে বাংলাদেশের গার্মেন্টস ক্রয়ের বিষয়ে তাদের ইতিবাচক মনোভাবের কথা তুলে ধরেন।

বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি কমে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন। এ সময় বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি রিয়াজ বিন মাহমুদ, সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, সাবেক সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here