plo newsগত ৩ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ‘গাজায় নারী ও শিশু হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন’ নামক একটি ইভেন্ট খোলা হয়েছে। উক্ত ইভেন্ট থেকে ইসরাইলের বর্বর হামলা এবং গাজায় নারী ও শিশু হত্যার প্রতিবাদে আগামী ৮ই আগস্ট, রোজ শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাব এর সামনে বেলা ১১:০০ ঘটিকায় মানববন্ধনের আহ্বান করা হয়েছে। উক্ত ইভেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনির হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে,উনি বলেনঃ ‘আমাদের প্রকৌশলী সমাজের কিছু উদ্যমী বড় ভাইবোন যারা মূলত মানবতার পক্ষে কাজ করছেন,তাদের সম্মলিত প্রচেষ্টায় আমরা বিশ্ব বিবেককে এই বার্তা দিতে চাই যে, আমরা বাংলাদেশীরা মানবতার পক্ষে ফিলিস্তিনী জনগনের পাশে আছি।বিশেষ করে ফিনিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশের অভিপ্রায়ে প্রকৌশলী সমাজের এই সামান্য প্রচেষ্টা। যেখানে আজ বিশ্ব মানবতা হুমকির মুখে। আজ ইসরাইলের বর্বর হামলার শিকার হচ্ছে ফিলিস্তিনি সাধারণ জনগন। নারী ও শিশু থেকে শুরু করে কেউ’ই আজ ইসরাইলের বর্বর নির্যাতন থেকে রেহাই পাচ্ছে না। আজ বিশ্ব মোড়ল আমেরিকাসহ জাতিসংঘও ইসরাইলের পক্ষাবলম্বন করছে।যেখানে ওআইসি থেকে শুরু করে আরব রাষ্ট্রগুলো ফিলিস্তিনী হত্যাকাণ্ডে নীরব। কিন্তু আমরা বাংলাদেশী সাধারণ জনগন থেকে শুরু করে বাংলাদেশ সরকার সর্বদা ফিলিস্তিনের জনগণের পাশে থেকেছি।বিবেকের তাড়নায় আমাদের এই সামান্য উদ্যোগ। তিনি আরও বলেনঃ উক্ত মানববন্ধনে ‘দি ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি)’ এর সম্মানিত প্রেসিডেন্ট ডঃ প্রকৌশলী এম. শামীম জেড. বসুনিয়া স্যারসহ অন্যান্য সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন বলে আমরা আশা করছি । আমাদের এই খুদ্র প্রচেষ্টার প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকায় আছেন ডেসকো পরিচালনা বোর্ডের পরিচালক প্রকৌশলী আতাউল মাহমুদ।এছাড়াও ইজিসিবি পরিচালনা বোর্ডের পরিচালক প্রকৌশলী এস এম মঞ্জুরুল হক সহ সিনিয়র অনেক প্রকৌশলী এই মানববন্ধনকে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।‘দি ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি)’ এর নেতৃত্ববৃন্দ এই মানববন্ধনের সফলতা কামনা করেছেন। তিনি উক্ত মানববন্ধনে জনসাধারণকে উপস্থিত থেকে নির্যাতিত ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেছেন। ‘গাজায় নারী ও শিশু হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন’ ইভেন্টের লিংকঃ https://www.facebook.com/events/1484426471800098/

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here