image_24280.dhakaexchangeঅর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘২০০৯ সালের আগ পর্যন্ত দেশের পুঁজিবাজারে নিয়ন্ত্রণ বলতে কিছুই ছিল না। আইন-কানুন যা ছিল, সব ছিল দুষ্টদের জন্য। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে বিএসইসির সঙ্গে বৈঠক করে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়। ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক দুই হাজার ৮০৭ পয়েন্ট থেকে বেড়ে আট হাজার ৯০০ পয়েন্টে পৌঁছেছিল।’ তবে কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে বাজারের বড় ধরনের এই উত্থান হয়েছিল বলে স্বীকার করেছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘শেয়ারবাজার মানেই অনিশ্চয়তা, উত্থান-পতন। কিন্তু বড় বড় ধস খুব খারাপ। সত্যিকার অর্থে কেউ এটা চায় না।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সালের আগে পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট যেসব আইন-কানুন ছিল তা ছিল দুষ্টচক্রের জন্য। আমরা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে বিভিন্ন উদ্যোগ নেই। তবে কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে বাজারে বড় ধরনের উত্থান হয়েছিল।’ রবিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এসব কথা বলেন।
মুহিত বলেন, শেয়ারবাজারে ধসের পেছনে আইনের ফাঁকফোকর কাজ করে। এরপর আইনে যেসব ফাঁকফোকর ছিল তা বন্ধ করা হয়েছে। আগের এসইসি পুনর্গঠন করা হয়েছে। প্লেসমেন্ট ও বুকবিল্ডিংসহ বেশ কিছু আইন সংশোধন করা হয়েছে। পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট অনেক আইন নতুন করে তৈরি করা হয়েছে। দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথককরণ সম্পন্ন হয়েছে।
সরকারের পদক্ষেপের ফলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে শুরু করে। বিনিয়োগকারীরা আস্থা ফিরে পেতে থাকেন। গত দুই বছর ধরে বাজার পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়েছে এবং বাজারে পুরোপুরি শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। বিগত পাঁচ বছর সরকার পুঁজিবাজার নিয়ে যথাযথ ভূমিকা রেখেছে। ভবিষ্যতেও সরকারের এই ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে প্রায় এক বিঘা জমির ওপর বিএসইসির নিজস্ব অর্থায়নে এই ভবন নির্মাণ করা হবে। ১০তলা এই ভবনের নির্মাণের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here