নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। ঢাকা থেকে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের উদ্দেশ্যে ৬৭ যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দেশ কিউ-৪০০ মডেলের বিমানটির অন্তত ৫০ যাত্রী নিহত হয়েছে বলে জানাচ্ছে দেশটির প্রথমসারির সংবাদমাধ্যম মাই রিপাবলিকা। 
ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জেনারেল ম্যানেজার রাজ কুমার ছেত্রি জানিয়েছেন, ‘বিমানটি খুব বাজেভাবে বিধ্বস্ত হওয়ায় প্রাথমিকভাবে ৫০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। আমরা উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এছাড়া দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানেরও চেষ্টা চলছে। এর মধ্যে গুরুতর আহতাবস্থায় ১৪ জনকে উদ্ধার করে সিনামঙ্গলের নিউ বানেশ্বর ও কেএমসি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বাংলাদেশি এয়ারপোর্ট ম্যানেজার ইমন জানিয়েছেন, বিমানটির ৬৭ যাত্রীর মধ্যে ১ জন চাইনিজ, ১জন মালদ্বীপ ও বাকি ৬৫ জন বাংলাদেশী নাগরিক। ফ্লাইটটিতে সরকারি বা উচ্চ পর্যায়ের কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি ছিলনা। এ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তারা হলেন সানজিদা হক, স্বামী রফিকুজ্জামান ও তাদের সন্তান অনিরুদ্ধ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে এয়ারপোর্টের রানওয়েতে প্রচণ্ড কালো ধোঁয়া দেখা যায়। এরপরই নিশ্চিত হওয়া যায় যে একটি প্লেন বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেম নাথ ঠাকুর বলেন, বিমানটি রানওয়েতে নামার সঙ্গে সঙ্গে চাকায় আগুন ধরে যায়। এরপরই সেটি বিমানবন্দরের পাশেই একটি ফুটবল খেলার মাঠে আছড়ে পড়ে। বিমানটি ঢাকা থেকে দুপুর ২ দশমিক ২০ মিনিটে ত্রিভুবন বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। বিধ্বস্ত প্লেনটির আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে। মাই রিপাবলিকা।
শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here