সাভার, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস খাতে অব্যাহত শ্রমিক অসন্তোষের পরিপ্রেক্ষিতে কারখানা রক্ষায় এবার কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। অসন্তোষে অংশগ্রহণকারী ও ইন্ধনদাতাদের অনেককে ইতিমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। কারখানা ভাংচুরের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওয়ায় আনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দিন খান আলমগীর গার্মেন্টস খাতের নেতাদের বলেন, এখন থেকে গার্মেন্টস রক্ষায় সব ধরনের আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মজুরি বাড়ানোর ঘোষণা দেয়ার পরও এ খাতে চলমান অস্থিরতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মালিকপক্ষ। গার্মেন্টস রক্ষায় সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন তারা। তারা বলেন, সরকার জানে কারা অসন্তোষ ঘটাচ্ছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে কারখানা আপনা-আপনি বন্ধ হয়ে যাবে। বৈঠকে স্বরাষ্ট প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মালিকপক্ষের প্রতিনিধি ছাড়াও আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ৫ হাজার ৩০০ টাকার মজুরি আমাদের পক্ষে কঠিন হলেও প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে আমরা তা মেনেছি। তবুও সহিংসতা বন্ধ হচ্ছে না। তিনি বলেন, গার্মেন্টস উদ্যোক্তারা এখন ক্ষুব্ধ, হতাশ।

বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, গার্মেন্টসে ক্রমাগত আক্রমণে উদ্যোক্তারা এখন ক্ষুব্ধ। অনেক কারখানা আপনা-আপনিই বন্ধ হয়ে যাবে।

বৈঠক শেষে শ্রম সচিব মিকাইল শিপার বলেন, মালিকপক্ষ তাদের উদ্বেগ জানিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে মামলা করলে সরকার ব্যবস্থা নেবে।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here