monir hossain

                                                             মোহাম্মদ মনির হোসেন,

                                                        প্রকৌশলী ও আজীবন সদস্য,

                  দি ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি)

______________________________________________________________________________________________

হজরত মূসা (আ.) এর উম্মত ইহুদি ধর্মাবলম্বীরা আল্লাহর লানতপ্রাপ্ত জাতি। কারণ তারা বারবার ঈমান এনেছে এবং বেঈমান হয়েছে। একারণে তাদের কোনো দেশ ছিল না।দেশহীন জাতি হলেও শিক্ষা-দীক্ষা এবং বিজ্ঞান চর্চায় ইহুদিরা বেশ অগ্রসর জাতি। টাকা লগ্নীকরণ বা সুদের ব্যবসায়ও ইহুদিদের খ্যাতি আছে। জনসংখ্যার দিক থেকে ক্ষুদ্র জাতি ইহুদিরা সারা দুনিয়ার ব্যবসা-বাণিজ্যের একচেটিয়া অধিপতি। দুনিয়ার বড় বড় বিজনেস কর্পোরেট হাউজগুলো ইহুদিদের মালিকানাধীন। যেমনঃ কোমল পানীয় কোম্পানি কোকাকোলা, পেপসি, জুতা কোম্পানি বাটা, প্রসাধন কোম্পানি ইউনিলিভার ও পেট্রোলিয়াম কোম্পানি শেলসহ আরো বহু কোম্পানির মালিকানা ইহুদিদের হাতে।এসব থেকে সহজেই বোঝা যায় ইহুদিরা ব্যবসা-বাণিজ্যে কত অগ্রসর জাতি। প্রখ্যাত বৃটিশ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ার তার ‘মার্চেন্ট অফ ভেনিস’ গ্রন্থে ইহুদি ধর্মাবলম্বী শাইলকের নিষ্ঠুর সুদের ব্যবসার সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন।

 

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুর্কি উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতনের পর প্যালেস্টাইন বা ফিলিস্তিনসহ বেশিরভাগ আরব এলাকা চলে যায় ইংল্যান্ড- ফ্রান্সের ম্যান্ডেটে। ১৯১৭ সালের ২রা নভেম্বর বৃটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য তথাকথিত আবাসভূমি বা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে বৃটেনের সম্মতির কথা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণা বেলফোর ঘোষণা নামে খ্যাত । এ ঘোষণা অনুযায়ী বৃটেন ফিলিস্তিনে কথিত ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টার অঙ্গীকার করে ।বেলফোর ঘোষণার মাধমে ফিলিস্তিন এলাকায় ইহুদিদের আলাদা রাষ্ট্রের সম্ভাবনা উজ্জল হয় এবং বিপুলসংখ্যক ইহুদি ইউরোপ থেকে ফিলিস্তিনে এসে বসতি স্থাপন করতে থাকে। ১৯০৫ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনে ইহুদীদের সংখ্যা ছিল মাত্র কয়েক হাজার। কিন্তু ১৯১৪ সাল থেকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত বৃটিশদের সহযোগিতায় ফিলিস্তিনে ইহুদীদের সংখ্যা ২০ হাজারে উন্নীত হয়। এরপর প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনে ইহুদী অভিবাসীদের ধরে এনে জড়ো করা শুরু হলে ১৯১৯ থেকে ১৯২৩ সাল নাগাদ ফিলিস্তিনে ইহুদীদের সংখ্যা ৩৫ হাজারে পৌঁছে যায়। ১৯৩১ সালে ইহুদীদের এই সংখ্যা প্রায় ৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৮০ হাজারে পৌঁছায়। এভাবে ফিলিস্তিনে ইহুদী অভিবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে থাকে এবং ১৯৪৮ সালে সেখানে ইহুদীদের সংখ্যা ৬ লাখে উন্নীত হয়।ফিলিস্তিন সে সময় বৃটেনের কর্তৃত্বাধীনে ছিল।

 

অপরদিকে ১৯১৮ সালে বৃটেনের সহযোগিতায় গুপ্ত ইহুদী বাহিনী “হাগানাহ” গঠিত হয়। এ বাহিনী ইহুদীবাদীদের অবৈধ রাষ্ট্র তৈরির কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রথমে ফিলিস্তিনী জনগণের বিরুদ্ধে ইহুদীবাদীদের সহায়তা করা ‘হাগানাহ’ বাহিনীর দায়িত্ব হলেও পরবর্তীকালে তারা সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী বাহিনীতে পরিণত হয়। ফিলিস্তিনী জনগণের বাড়িঘর ও ক্ষেতখামার দখল করে তাদেরকে ফিলিস্তিন থেকে বিতাড়িত করা এবং বাজার ও রাস্তাঘাটসহ জনসমাবেশ স্থলে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ফিলিস্তিনীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে তাদের বিতাড়নের কাজ ত্বরান্বিত করা ছিল ‘হাগানাহ’ বাহিনীর কাজ।

 

১৯১৭ সালে ঘোষিত ‘বেলফোর ঘোষণা’র মাধ্যমে ইসরাইল রাষ্ট্র সৃষ্টির বীজ বপনের সূত্র ধরেই বৃটিশ শাসিত প্যালেস্টাইনকে বিভক্ত করে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘে গণভোট গ্রহণ করা হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন এবং পশ্চিমাদের প্রভাব ও চাপে এ গণভোটের রায় চলে গিয়েছিল ইসরাইলের পক্ষে। জাতিসংঘের তথাকথিত ১৮১ নং প্রস্তাবের পরিকল্পনার মাধ্যমে ১৯৪৭ অখণ্ড প্যালেস্টাইনকে দ্বিখণ্ডিত করা হয়। এ প্রস্তাবে প্যালেস্টাইন ও ইসরাইল নামে দুইটি রাষ্ট্রের কথা বলা হয়। জাতিসংঘ ফিলিস্তিনকে দ্বিখন্ডিত করার প্রস্তাব পাশ করে নিজেদের মাতৃভূমির মাত্র ৪৫ শতাংশ ফিলিস্তিনীদের এবং বাকি ৫৫ শতাংশ ভূমি ইহুদীবাদীদের হাতে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এভাবে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরায়েল স্বাধীনতা ঘোষণা করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ও পশ্চিমাদের ষড়যন্ত্রে জাতিসংঘ ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিলেও প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি দেয়নি।এ সুযোগে ইসরাইল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতায় মিসর, জর্ডান ও লেবাননসহ দুর্বল আরব দেশগুলোর ভূমি দখল অব্যাহত রাখে।

 

১৯৪৯ সালের আর্মেস্টিক সীমান্ত চুক্তিতে প্যালেস্টাইনের একটি আপাত সীমানা নির্ধারণ করা হয়। যেটা ভবিষ্যতে প্যালেস্টাইনের সীমানা নির্ধারণকারী হবে। এ আর্মেস্টিক চুক্তিকে গ্রিন লাইন সীমারেখা বলা যেতে পারে। গ্রিনলাইন সীমারেখা প্যালেস্টাইনের সঠিক সীমারেখা চিহ্নিত করে। ইসরাইলের অব্যাহত আরব ভূমি দখলের কারণে ১৯৬৭ সালে ৫ জুন মিসর, জর্ডান ও সিরিয়ার সঙ্গে ইসরাইলের যুদ্ধ বেঁধে যায়। এ যুদ্ধের আগে ইসরাইল তার নির্ধারিত সীমান্ত অতিক্রম করে এবং পশ্চিম তীর, গাজা ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয়। এরপর জাতিসংঘে গৃহীত প্রস্তাবে নিজ নিজ ভূখণ্ড থেকে শান্তিপূর্ণ অবস্থানের শর্তে উদ্বাস্তুদের বাড়ি-ঘরে ফিরে আসার অনুমতি দেয়া, জেরুজালেম নিরস্ত্রিকরণ, আন্তর্জাতিককরণ ও ধর্মীয় স্থানের নিরাপত্তা এবং সেখানে মানুষের প্রবেশের নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয় এবং ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে আরব দেশগুলো থেকে দখলে নেয়া ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার করে নেয়ার কথা বলা হয়। ১৯৭৯ সালে ইসরাইল ও মিসরের মধ্যে স্বাক্ষরিত ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি প্যালেস্টাইনের স্বার্থহানি ঘটায়। ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে গৃহীত প্রস্তাবে বহির্বিশ্বের হস্তক্ষেপ ছাড়াই নিজেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও নিজেদের বাড়ি-ঘর এবং সম্পদের অধিকার ফিরে পাওয়ার কথা বলা হয়।

 

যুগ যুগ ধরে নির্যাতিত প্যালেস্টাইনিরা সংগঠিত হয়ে ১৯৮০ গঠন করে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)। পিএলওর মাধ্যমে ইসরাইলি দখলদারিত্ব নির্যাতিত-নিপীড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার হয়। ১৯৮০ সালে গৃহীত প্রস্তাবে পশ্চিম তীর, গাজা ও গোলান মালভূমিসহ দখলকৃত স্থানে নিজ দেশের জনগণের একাংশ ও নতুন অভিবাসীদের পুনর্বাসন করার ইসরাইলি নীতির নিন্দা জানানো হয়। ১৯৮৮ সালে শুরু হয় প্যালেস্টাইনিদের ‘ইন্তিফাদা’ (গণআন্দোলন)। ১৯৯০ সালে গৃহীত প্রস্তাবে পুরনো জেরুজালেমে রক্তাক্ত সহিংসতার পর প্যালেস্টাইনিদের নির্বাসিত করার ইসরাইলি সিদ্ধান্তের নিন্দা জানানো হয়। ১৯৯৩ সালে ইসরাইল ও পিএলওর মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি প্যালেস্টাইনিদের জন্য কিছুটা হলেও শান্তির বার্তা বয়ে এনেছিল। এ চুক্তির ফলে দুইটি দেশের দ্বন্দ্ব কিছুটা কমে এসেছিল। এ চুক্তির মাধ্যমে গাজা ও জেরিকোর অধিকার ফিরে পায় প্যালেস্টাইন। কিন্তু ইসরাইল একগুঁয়েমি ও তার চিরায়ত স্বভাব অনুযায়ী এ চুক্তি বাতিল করে আবার প্যালেস্টাইনের জনগণের ওপর জুলুম-নির্যাতন শুরু করে। ২০০২ গৃহীত প্রস্তাবে ইসরাইল-প্যালেস্টাইন দ্বন্দ্ব-যুদ্ধ অবসান ও দুই রাষ্ট্রের নিরাপদ ও স্বীকৃত সীমান্তের অধীনে পাশাপাশি অবস্থান করবে বলে মত দেয় জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো।

 

প্যালেস্টাইনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ১৯ নভেম্বর ২০১২ মিসরের রাজধানী কায়রোতে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, প্যালেস্টাইন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা অর্জনের লড়াই অব্যাহত রাখবে। এরপর ইসরাইল প্যালেস্টাইনে হামলা জোরদার করে। হত্যা করা হয় নারী, শিশুসহ বহু নিরপরাধ মানুষকে। এ বর্বর হামলা থেকে অসহায় নারী-শিশু এমনকি ১৫ মাস বয়সী শিশুরাও রক্ষা পায়নি। ইসরাইল চালিত এ হামলার নাম দেয়া হয় ‘অপারেশন পিলার অফ ডিফেন্স’। প্যালেস্টাইনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের আত্মবিশ্বাসী ঘোষণার মাত্র ১০ দিন পর সদস্য দেশগুলোর ভোটের রায়ের মাধ্যমে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা পায় প্যালেস্টাইন। এর আগে ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন ইউনাইটেড নেশন এডুকেশন অ্যান্ড সায়েন্স কো-অপারেশন (ইউনেসকো) জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য পদ পেতে প্যালেস্টাইনের দাবির প্রতি সমর্থন জানায়। এটাও প্যালেস্টাইনের আরেকটি কূটনৈতিক বিজয়।

 

এখানে একটি কথা বলতে হয় যে, অনেক বছর ধরে চলমান প্যালেস্টাইন সমস্যার জন্য যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মদদপুষ্ট ইসরাইলের আগ্রাসী নীতি দায়ী ঠিক তেমনিভাবে আরব দেশগুলোর গাছাড়া ভাব ও অনৈক্য কম দায়ী নয়। অন্যদিকে হামাস ও ফাতাহ’র অনৈক্য ও হানাহানি প্যালেস্টাইন সমস্যাকে দীর্ঘায়িত করেছে। বর্তমানে প্যালেস্টাইনের জনগণ হামাস ও ফাতাহ দু’ভাগে বিভক্ত। প্যালেস্টাইনের কেন্দ্রীয় পরিষদ (পিএনএ)। পিএনএর চেয়ারম্যান মাহমুদ আব্বাস। তিনি পিএলও কর্তৃপক্ষেরও প্রেসিডেন্ট। প্যালেস্টাইন কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় রামাল্লা’য়। হামাস ও ফাতাহ নিয়ন্ত্রিত পশ্চিম তীর ও গাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দু’পক্ষের হানাহানি ও ধ্বংসাত্মক তৎপরতা গোটা প্যালেস্টাইনের সাধারণ জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলে দেয়। হামাস-ফাতাহ দ্বন্দ্ব ও প্রভাবশালী আরব দেশগুলোর স্বার্থপর ভূমিকা প্যালেস্টাইনিদের স্বাধিকার অর্জনের পথে অন্যতম প্রধান বাধা হয়ে আছে। স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য অবশ্যই প্যালেস্টাইনের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। একই সাথে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী আরব দেশগুলোকে পশ্চিমাদের স্বার্থের ক্রীড়নক না হয়ে প্যালেস্টাইনের পক্ষে নৈতিক ও কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে হবে। তবেই স্বাধীনতার পথে প্যালেস্টাইন দ্রুত এগিয়ে যাবে। প্যালেস্টাইন সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির আশা করা দুরাশা মাত্র।

 

প্যালেস্টাইনের শান্তির জন্য বহু প্রস্তাব পাস করে জাতিসংঘ। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক-কূটনৈতিক ও পশ্চিমাদের অব্যাহত সহযোগিতা পেয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠা ইসরাইল জাতিসংঘের কোনো প্রস্তাবকেই পরোয়া করেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল জাতিসংঘকে একটি পুতুল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে।বর্তমানে গাজা‘য় ইসরাইলের হিংস্র আক্রমণের শিকার হচ্ছে ফিলিস্তিনি শিশুসহ নিরস্ত্র মানুষ। সারা বিশ্বের মানুষ নিন্দা করলেও ইসরাইলের কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। বাংলাদেশের সাথে ইসরাইলের কোন কূটনৈতিক সম্পর্ক নাই।ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও কূটনীতিকদের অত্যন্ত সম্মানজনকভাবে বরণ করা হয় বাংলাদেশে।জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে যতবার ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার দাবি ওঠেছে ততবারই বাংলাদেশ দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছে ফিলিস্তিনকে।বাংলাদেশ সরকারও বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরাইলের আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং ফিলিস্তিনের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছে ।

 

 

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here