asifজনতার নিউজঃ

  বার্ডস আইঃ

রাজনীতিবিদ ও তাঁদের জীবনের অনৈতিক কর্মকান্ডের ওপর গোয়েন্দা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘বার্ডস আই’, দেশের একমাত্র রাজনৈতিক অনলাইন সংবাদপত্র ও গবেষণা ধর্মী পোর্টাল জননেতা ডট কম এ বেশ কটি koronপ্রতিবেদন জমা দিলে তা প্রকাশ হলে ইতোমধ্যে দেশব্যাপী ঝড় বয়ে যাচ্ছে। যাদের কাছে আমাদের অনেক চাওয়া পাওয়া সেই মানুষগুলোর অযাচিত কর্ম আমাদেরকে পীড়া দিচ্ছে। কিন্তু সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে জনসাধারণের তা জানা জরুরী বলেই চলছে এবং চলতে থাকবে বার্ডস আই এর গোয়েন্দা রিপোর্ট।

ড. আসিফ নজরুল, পুরোদস্তুর রাজনীতিক নন। কিন্তু প্রচলিত রাজনৈতিক নেতার চাইতেও তিনি বড় রাজনীতিক।তাঁর জীবনের ব্যক্তিগত চরিত্রের নৈতিকহীনতার অনুসন্ধানে দেখতে পাওয়া গেছে- তিনি শুধু একজন নারী কাম পিপাসু বিকৃত চেতনার মানুষই নন- একজন, বিদেশী রাষ্ট্র ও গোয়েন্দা সংস্থার সাথে সম্পর্ক সমন্বয় করে চলা রাষ্ট্রদ্রোহী পর্যায়ের ব্যক্তি। বার্ডস আই এর কাজ, রাজনীতিক দের অনৈতিক জীবনালেখ্য তুলে ধরা, সে কারণে আসিফ নজরুলের রাজনৈতিক মিশন তুলে ধরার প্রয়াসে থাকা সম্ভব হল না।

আসিফ নজরুল, বাংলাদেশের সুশীল সমাজের নামে থাকা কল্পনা বিলাসী রাজনীতিক। বেশ কয়েক বছর ধরে জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো’তে কলাম লিখে আস্তে আস্তে নিজের নাম ফোটান। এক সময় সাংবাদিকতার আদলে পরিবেষ্টিত থাকায় দেশের গণ মাধ্যমের বেশ সহানুভুতি খুব অল্প সময়ের মধ্যে অর্জন করে নেন। একসময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে বেশ আলোচনায় ছিলেন। এমন কি মুক্তিযুদ্ধের জননী জাহানারা ইমাম এর আশীর্বাদে সাপ্তাহিক বিচিত্রায় সাংবাদিকতা শুরু করেন।

ড. আসিফ নজরুল নামে এখন দেশবাসী চিনলেও তাঁর আসল পরিচয় ও নাম নিয়েও বিড়ম্বনা রয়েছে। বার্ডস আই প্রতিবেদক বলেন, পুরোন ঢাকার আদি বাসিন্দা এই নজরুলের আসল নাম কী ছিল এবং তাঁর asif nojrul1পরিচিতি সম্যক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তিনি লালবাগে থাকতেন। ছাত্রাবাসে তিনি ‘সেলিম মিয়া’ নামে পরিচিত ছিলেন। ঐ এলাকার জ্যেষ্ঠ মুদি দোকানদার ও এলাকা বাসী বলেন, স্বভাবের দিক থেকে কখনই তাঁর চরিত্র ভাল ছিল না। দুই- দুইবার মেস বদল করে দেখা গেছে, এক থেকে দুই মাস একজন মেয়ে নিয়ে সারাদিন সেলিম মিয়া পার করতেন। এর পর আবার মেয়ে পরিবর্তন হত। নিজের রুমের কক্ষ বন্ধ করে ঐ সকল মেয়েরা মাগরিবের নামাজের আগে বের হয়ে যেত।

asif1

সূত্রমতে, ঢাকা বিশ বিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে এই আসিফ নজরুলের নামে কোনো শিক্ষক নেই। সেখানে নজরুল ইসলাম বলে যে শিক্ষকের নাম ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারে রয়েছে- সেই তিনিই হলেন প্রত্যুৎপন্নমতি এই আসিফ নজরুল। আইন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে নিজের লেখা উচ্চ মানের বই রচনার সামর্থ্য থাকলেও ব্যক্তি চরিত্রের নোংরামীর জন্য সময় বের করতে পারেন না এই বাকপটু আসিফ। কারন, টেলিভিশন টক শোতে যেদিন না যান, সেদিন কোনো না কোন নারীর সঙ্গে তিনি সময় কাটাবেনই- তা ধরা পড়েছে।

এদিকে তাঁর ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু বার্ডস আই কে স্বীকার করতে বাধ্য হন এবং বলেন, কারোর ব্যক্তিগত বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। আর সেতো স্ব ঘোষিত লুচ্চা! সে জীবন সঙ্গিনী প্রশ্নে বিনা দ্বিধায় বলে থাকে, “আমার এক তরকারী বেশী দিন খেতে ভাল লাগেনা।”

বার্ডস আই এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আসিফ নজরুল এ পর্যন্ত সামাজিক ভাবে ৪টি বিয়ে করেছেন। তন্মধ্যে দু’জনাই তাঁর ছাত্রী ছিলেন। সর্ব শেষ দুটি বিয়ে সংস্কৃতি অঙ্গনের দুজন নারীকে করায় তা সর্বত্র আলোচিত হয়ে উঠেছিল। এর মধ্যে প্রয়াত সার্জেন্ট আহাদে’র নাট্য কর্মী স্ত্রী রোকেয়া প্রাচী এবং প্রখ্যাত সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ এর মেয়ে শীলা আহমেদ থাকায় আসিফ নিয়ে আলোচনা সব সময় ছিল।

আসিফ নজরুলের ব্যক্তিগত খবর নিলে নানান অনৈতিক খবরের প্রমাণাদি বার্ডস আই এর হস্তগত হয়। যেখানে দেখা যায়, গেল ৭ বছরেই তাঁর ডিপার্টমেন্টের ১৭ জন ছাত্রীর সঙ্গে সে সেক্স মিশন চালায়। প্রত্যেক মেয়েকেই ভাল রেজাল্ট করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সে এ ধরনের অনৈতিক কাজে যেতে বাধ্য করেছে ঐ সকল ছাত্রীদের। ঐ সকল ছাত্রীদের সামাজিক সম্মান বিবেচনায় তাঁদের নাম প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকল বার্ডস আই।

এদিকে আসিফ নজরুলের বেহায়াপনা ও বিকৃত সেক্স মিশন সম্পর্কে অনেকেই প্রকাশ্যে অবগত। এ প্রসঙ্গে আইনজ্ঞ ড. তুহিন মালিক এর সামনেই অপর এক বন্ধুকে আসিফ নজরুল বলেন, “মেয়ে মানুষের কথা বলিস না- আমার সঙ্গে কেউ পেরে ঊঠবি না, তোমাদের মাথায় যত চুল আছে- এ জীবনে সেই সংখ্যক নারীর সঙ্গে আমার সহবাস হয়েছে”।

বার্ডস আই এর অনুসন্ধানে আরো দেখা যায়, যে কোনো ধরনের পার্টিতে আসিফ উপস্থিত হলে মদের গ্লাস নিয়ে সুন্দরী নারীর গায়ের ওপর ঢলে পড়তে। সাম্প্রতিক সময়ে এমন ঘটনায় জড়িয়েছেন অসংখ্যবার। স্টাইল ওয়াচ সম্পাদক ও সেলেব্রেটি করভী মিজান ও ব্যারিষ্টার তানিয়া আমীরের ওপর ঝাপিয়ে পড়তে নিকট সময়েই দেখা গেছে। কাকতালীয় ভাবে দুটি পার্টির ভেন্যুই ছিল ঢাকা ক্লাব।

আসিফ নজরুলের জীবনে কত নারী- এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র একটি আত্ম জীবনী লেখা লিখছেন বলে তিনি স্বীকার করেছেন। তিনি মুলত বার্ডস আই এর সংকলিত ফটোগ্রাফ ও ভুক্তোভোগী ছাত্রী দের বিভিন্ন তথ্য চেয়েছেন। এদিকে সামাজিক সম্মান ধরে রাখার নিয়তে বরাবরের মত আসিফ নজরুলের পুরোপুরি সেক্স স্ক্যান্ডাল তুলে ধরা হল না। তবে মুখে সুন্দর সুন্দর বাণী প্রদান করা এই নজরুল, নিজের অসুন্দর বিকৃত কাম চেতনা থেকে অদূর ভবিষ্যতে সরে না আসলে পুরো তথ্য প্রকাশে সচেষ্ট হবে বার্ডস আই।

সম্পাদনাঃ জননেতা ডট কম।

শেয়ার করুন

2 COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here