newপৃথিবীতে অনেক জাতের কলা আছে। এসব কলায় ‘ভিটামিন এ’ এর পরিমাণে খুব বেশি তারতম্য নেই। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের গবেষকরা বংশগতি পরিবর্তন করে এমন এক ধরনের কলার প্রজাতি উদ্ভাবন করেছেন যাতে ‘ভিটামিন এ’ এর পরিমাণ অন্যান্য কলার চেয়ে পাঁচগুণ বেশি। ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই ‘সুপার ব্যানানা’ কোটি কোটি শিশুর স্বাস্থ্যগত উন্নয়নে বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করতে পারবে।

ভিটামিন এ এর ঘাটতির কারণে বিশ্বে প্রতিবছর গড়ে তিন লাখ শিশু অন্ধ হয়ে যায় এবং এই ভিটামিনের অভাবজনিত নানা রোগে আরো প্রায় সাত লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এই সমস্যা পূর্ব আফ্রিকাতে বেশি। কারণ এখানে কলা অন্যতম প্রধান খাদ্য হলেও এগুলোতে পর্যাপ্ত পুষ্টিগুণ ও ভিটামিনের ঘাটতি আছে।

গবেষণায় উদ্ভাবিত কলাগুলো বাইরে থেকে দেখতে সাধারণ পাকা কলার মতো। কিন্তু ভেতরটা হবে উচ্চ ভিটামিন সমৃদ্ধ কমলা রঙের শাসে ঠাসা। মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং তার স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস এর ফাউন্ডেশন এই গবেষণায় ১ কোটি ডলার অনুদান দিচ্ছেন।

তবে সমালোচকরা বলছেন, এই কলা খেয়ে আপাতত সুফল পাওয়ার নিশ্চয়তা পেলেও এর দীর্ঘমেয়াদী কোনো কুফল আছে কি না তা এখনো পরিষ্কার নয়। গবেষকরা আশা করছেন, এবছরই মানুষের উপর এই কলার গুণমাণ পরীক্ষা সম্পন্ন হবে এবং ২০২০ সাল নাগাদ উগান্ডাতে এটি চাষ করার অনুমতি নেয়া হবে। তারা আরো জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাপী অন্যান্য ফসলের উপরেও এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হবে। টাইম।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here