কনকনে শীতে কাপছে পুরো দেশ। রাজধানীর চেয়ে গ্রামীণ জনপদে শীতের তীব্রতার সঙ্গে ঘন কুয়াশা আর উত্তরে শিরশিরে হাওয়ায় কাহিল অবস্থা জনজীবন। ৮ দিন ধরে দেশজুড়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। এ সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছিল তেঁতুলিয়ায়। 
 
মৃদু ও মাঝারী শৈত্য প্রবাহে অনেকটাই বিপর্যস্ত জনজীবন। শীতবস্ত্রের অভাবে কনকনে ঠাণ্ডায় ভুগছেন হতদরিদ্ররা। এদিকে, ঠাণ্ডাজনিত রোগ বালাইয়ে নাকাল শিশু ও বৃদ্ধরা। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকে চারপাশ। শুক্রবার চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 
 
আবহাওয়ার স্বল্প মেয়াদী পূর্বাভাস বলছে, শীত আরো দুই দিন বাড়বে। জানুয়ারির শেষদিকে আসতে পারে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ। যা বয়ে যাবে ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে। 
 
জানুয়ারি মাসে সব মিলিয়ে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়া, ফেব্রুয়ারি মাসে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। বৃষ্টির কারণে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমদিকে একটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। 
 
আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম বলেন, ১৪ জানুয়ারির পর কোথাও কোথাও রাতের তাপমাত্রা বেড়ে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির দিকে যেতে পারে। মূলত ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যের আলো আসতে পারছে না। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে সূর্যের কিরণ আসতে পারছে না। এখানে ভূখণ্ড উত্তপ্ত হতে পারছে না। দিনের তাপমাত্রা প্রয়োজনমতো বাড়ছে না। বইছে উত্তর-পশ্চিমের হিমেল হাওয়া। তাই শীতের তীব্রতা কমছে না।
শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here