ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) ভিত্তি হার পদ্ধতি নামে একটি তদারকি পদ্ধতির বাস্তবায়ন হচ্ছে, যার মূল উপাদান হচ্ছে তহবিল ব্যয় সূচক।
এখন থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি মাসে ভিত্তি হার ঘোষণা করবে। সেখানে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সব ধরনের ব্যয়ের পর কোন পণ্যসেবায় কত সুদ নেওয়া হবে, তা উল্লেখ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এ পদ্ধতিতে সুদহার প্রতিযোগিতামূলক হবে।
গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গভর্নর আতিউর রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে এই সূচক সংযোজনের মধ্য দিয়ে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন বিএলএফসিএর চেয়ারম্যান আসাদ খানসহ বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের এমডি ও প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মো. রাজী হাসান, এস কে সুর চৌধুরী ও নাজনীন সুলতানা এবং শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ব্যাংকগুলোতে প্রতিযোগিতামূলক সুদ হার বিদ্যমান থাকলেও আর্থিক প্রতিষ্ঠান যে যার মতো সুদ নিচ্ছে। ভিত্তি হার তথা ঋণ-সুবিধার সর্বনিম্ন সুদ হার ঘোষণা পদ্ধতি চালুর ফলে কোন প্রতিষ্ঠান কোন পণ্যে কী হারে সুদ নিচ্ছে, গ্রাহক তা জানতে পারবে।
প্রতিষ্ঠানগুলো তার তহবিল সংগ্রহের ব্যয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রক্ষিত সিআরআর ও এসএলআর ব্যয়, প্রশাসনিক ব্যয় এবং উদ্যোক্তা মূলধনের ব্যয় নির্বাহের হিসাব করে ভিত্তি হার নির্ধারণ করবে। এসব ব্যয়ের পর যে সুদ নেবে, তা হবে তার মুনাফা।

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here