বার্ডস আইঃ

বাংলাদেশের প্রচলিত ধারার রাজনীতিতে দু’ধরনের রাজনীতি করা ব্যক্তি বর্গের সন্ধান মিলে।এক, প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে পদ-পদবী নিয়ে।দুই, অন্য অঙ্গনের বাসিন্দা হয়ে ঐ নির্দিষ্ট দলকে সমর্থন করে নিজের স্বার্থ কায়েম করার রাজনীতি। এভাবেই দেশের দুটি বিশেষ ধারায় রয়েছেন সামাজিক- সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবি মানুষ। প্রিয় দল ক্ষমতায় গেলে বিদেশী দূতাবাসে চাকুরী পাওয়া কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ joya222222222222222222দায়িত্ব নেয়াই থাকে এই শ্রেনীর ব্যক্তিবর্গের প্রধান লক্ষ্য।

পীযুষ বন্দোপাধ্যায়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে তিনি ঘোর আওয়ামী লীগের সমর্থক। কোনো ক্ষেত্রে প্রচলিত রাজনীতিকের চেয়েও তিনি বেশী ক্ষমতা রেখে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। রাজবাড়ী জেলার এই শক্তিমান অভিনেতার গুনের মধ্যে মঞ্চ, নাটক, সিনেমাতে সফল হবার অযুত উদাহরন রয়েছে। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি নাটক করে নিজ এলাকায় জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। এর পর ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের নাট্য চর্চায় তিনি সকলের নিকট স্বাধীনতা উত্তর জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন পরিচিত মহলে। সাংবাদিকতার ডিপ্লোমা নিয়ে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে প্রিলিমিনারি হিসাবে স্নাতক ডিগ্রী নেন।

বাবা ছিলেন জেলা প্রশাসন অফিসের কর্ম চারী। কিন্তু পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারনে পুরো শৈশব কাটে অবস্থা সম্পন্ন মামার বাড়ি ফরিদপুর জেলার ঝিলটুলিতে।এর পর খেলাধূলা আর নাটক করার নেশায় কেটেছে অহোরাত্র।

afroza...................বার্ডস আই এর অনুসন্ধানীতে দেখা যায়,ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের মহসিন আলী হলে থাকতেই এক সময় ফরিদপুরের ডাক সাইটের এক নেতার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধু কেবিনেটের সর্ব কনিষ্ঠ মন্ত্রী হিসাবে ঐ নেতা জায়গা নিলে পীযুষ বন্দোপাধ্যায় (পান্টু-ডাক নাম)  পাওয়ার ও এনার্জি প্রতিমন্ত্রী হওয়া তার প্রিয় নেতার বাড়িতে আশ্রয় নেন। কিন্তু ওখানেই কেলেংকারীর শুরু। নাদুস-নুদুস ‘পান্টু’ কে দেখে ঐ নেতা বিকৃত যৌনাচারের সম্পর্ক গড়ে তুলতে তাকে উৎসাহী করে তোলেন। এতে সমকামিতায় প্রথম বারের মত জড়িয়ে পড়েন পীযুষ বন্দোপাধ্যায়। বেশ কিছু somokamiদিন এভাবে চলে যাবার পরেই আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতার সান্নিধ্যে আসেন পীযুষ বন্দোপাধ্যায়। নিজেও আওয়ামী লীগের আন অফিসিয়াল নেতা বনতে শুরু করেন।

এরপর পীযুষের জীবনে আসে প্রেম। পাত্রী ঢাকা বিশবিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের ‘রেনু’ নামের হাউজ টিচার। যিনি মোদ্দকথা পীযুষ কে নিজ জীবনের চাইতেও ভাল বাসতেন। যদিও প্রথম স্বামী মারা যাবার পর ঐ সময় তাঁর দুটি সন্তানও ছিল। বয়সে পীযুষের চেয়ে কিছুটা বড় হলেও তাঁদের মধ্যে বিয়ে হয়। পীযুষ মূলত তার ঐ স্ত্রীর আয়েই লেখাপড়া ও সমাজে চলাফেরা করতেন। কিন্তু এক সময় পীযুষ তাঁর জীবন থেকে দূরে সরে যায়।

birds eyeবার্ডস আই এর পর দেখে, পীযুষ বাংলাদেশের এক প্রখ্যাত লেখিকা ও সাহিত্যিক এর আদরের তনয়া বা মেয়ে কে বিয়ে করেন। নিজের থেকে ঐ মেয়ের বয়স এর ব্যবধান অনেক হওয়াই সে বিয়েও টেকেনি পীযুষের। অতঃপর পীযুষ ,সে সময়ের বিখ্যাত টি ভি ধারাবাহিক নাটক এর একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান। সেখানে ‘শিমু’ চরিত্রের অভিনেত্রী আফরোজা বানুর সঙ্গে প্রথমে রোমান্স পরে লিভ টুগেদার। একত্রে থাকার মাঝে মাঝে নানান প্রতিবন্ধকতা আসলেও ২০০৪ সাল পর্যন্ত তাঁদের মধ্যকার অনৈতিক সম্পর্ক অটুট ছিল।

সূত্রমতে, পীযুষ এক সময় তরুনী মেয়ের সন্ধানে অতি কাতর হয়ে পড়েন। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুবাদে ঢাকাই ফিল্মের সি গ্রেডের নায়িকাদের সাথে রাত কাটানো ছিল তার নিত্য অভ্যাস। এভাবে যেতে যেতেই pizushতিনি হিন্দু অভিনেত্রী জয়শ্রী কর এর সাথে প্রথমে বিছানা পরে বিয়ে করে ফেলেন। কারণ জয়শ্রী কর আগা গোড়াই ভারতীয় হাই কমিশনের বেশ কয়েকজন ডিপ্লোম্যাটদের পছন্দের ছিলেন এবং পীযুষও  ঐ সকল ব্যক্তিবর্গের আশীর্বাদ পুষ্ট ছিলেন।

অতি সম্প্রতি পীযুষ বন্দোপাধ্যায়কে এফডিসির মহাপরিচালক পদ হতে অপসারন করা হলেও তিনি এখনও ক্ষমতাসীন সরকারের প্রভাবশালী চরিত্র। জীবদ্দশায় কত নারী  পীযুষ ভোগ করেছেন ও পুরুষের সান্নিধ্যে গেছেন তার মোটামোটি হিসাব  এই বিকৃত যৌনাচারে অভ্যস্ত এবং সেক্স স্ক্যান্ডালে থাকা সুবিধাভোগী ব্যক্তির বৃত্তান্ত এখন বার্ডস আই এর কাছে।

চলবে…

শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here